রোড টু বিকামিং সিইও (হার্ডকভার) |
||
| Author | : | নজর-ই-জ্বিলানী |
|---|---|---|
| Category | : | নতুন প্রকাশিত বই, ক্যারিয়ার উন্নয়ন, |
| Publisher | : | ব্রেইনল্যান্ড |
| Price | : | Tk. 332 |
|
সারাদেশে হোম ডেলিভারি চার্জ মাত্র ৭০ টাকা # ১৪৯৯+ টাকার বই অর্ডার করলেই পাচ্ছেন ফ্রি হোম ডেলিভারি ! বি:দ্র: গ্রাহক বইটি অর্ডার সম্পূর্ণ করার পরে যদি নতুন সংস্করণের মূল্য পরিবর্তন হয় তাহলে বইটি পাঠানোর আগে আপনাকে আমাদের টিম ফোন করে জানিয়ে দিবে । |
||
সারাদেশে হোম ডেলিভারি চার্জ মাত্র ৭০ টাকা # ১৪৯৯+ টাকার বই অর্ডার করলেই পাচ্ছেন ফ্রি হোম ডেলিভারি !
বি:দ্র: গ্রাহক বইটি অর্ডার সম্পূর্ণ করার পরে যদি নতুন সংস্করণের মূল্য পরিবর্তন হয় তাহলে বইটি পাঠানোর আগে আপনাকে আমাদের টিম ফোন করে জানিয়ে দিবে ।
CEO হওয়া এখন শুধু কল্পনা না, বাস্তবতার দাবী। CEO হওয়ার মধ্যে আছে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ, একটা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, পরিজনদের উন্নত জীবন, সামাজিক সন্মান, মানসিক পরিতৃপ্তি ও দেশ এবং প্রজন্মকে সামনে এগিয়ে নেওয়া।
প্রতিবেশী একটা দেশ থেকেই ২৬ লক্ষ মানুষ চাকরী করে আমাদের দেশে এসে যার মধ্যে অনেক CEO আছে, এর মানে CEO হওয়ার অনেক সম্ভাবনা আছে। কেন আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা CEO হতে পারছে না তার নিখুঁত পর্যালোচনা দরকার সবার আগে। এরপর সেই সমস্যার সমাধান অর্থাৎ নিজেদেরকে সেইভাবে তৈরি করা যেভাবে ভিন দেশীরা এসে হাজার হাজার কোটি টাকা ইনকাম করে নিয়ে যায়।
আমি এই বইতে একজন CEO হওয়ার জন্য যে যে যোগ্যতা দরকার তা আলোচনা করেছি। বিদেশীরা কোন কারণে চাকরী পায়? তার জন্য আলাদা একটা চ্যাপ্টার আছে। ২০০ পৃষ্ঠারও কম একটা বইয়ে একজন CEO হওয়ার বিস্তারিত লিখা সম্ভব না। তবে এই একটা বই’ই ধারণা দিতে পারবে কোন কোন পজিশানে কী কী বিষয় শিখতে হবে।
যেখানে আমাদের দেশের ছেলে মেয়েরা শুধুই স্বপ্ন দেখে CEO হওয়ার কিন্তু কি করলে সেখানে পৌঁছা যাবে তার স্পষ্ট ধারণা তাদের অনেকেরই নাই। এটা নিয়ে কেউই তেমন উচ্চবাচ্য করেন না। আমি চেষ্টা করেছি একটা বইতে সামগ্রিক বিষয়ের ধারণা দেওয়ার।
| Title | রোড টু বিকামিং সিইও |
|---|---|
| Author | নজর-ই-জ্বিলানী |
| Publisher | ব্রেইনল্যান্ড |
| Pages | 160 |
| Edition | 1st Published, 2025 |
| Country | Bangladesh |
| Language | Bangla |
লেখক পরিচিতিঃ "মানবিক বিভাগের ছাত্র হয়ে মাল্টিন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল ফাইজারে চাকরি নেওয়া ছিল স্বপ্নাতীত। সন্ধ্যায় বই নিয়ে বসেছি আর সকালে জানালা দিয়ে সূর্য্য উঠা দেখেছি।" কঠিন বিষয় ও টার্মিনোলোজি রপ্ত করে পরদিন ট্রেনিংএ উপস্থিত হতে হয়েছে। প্রতিদিন ছিল ট্রেনিং থেকে বাদ পড়ার উৎকণ্ঠা। ধনুক ভাঙা পণ করে সাধনায় বসেছিলাম বুদ্ধদেবীয় সংকল্পে। আমার সোনার হরিণ চাই। চাকরি জীবনে প্রতিনিয়ত নিজেকে আপডেট রেখে ক্যারিয়ার-এ ন্যাশনাল সেলস মার্কেটিং টিমের দায়িত্ব নেওয়া ছিল প্রথম চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করা। নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে রানার মোটোর্স্ এ যোগদান। "How come a pharma guy in Automobiles Sales Marketing ?" আমার জয়েনিং-এর পর ফ্যাক্টরী ভিসিট-এ দিল্লী গেলে ভলভো-আইশার-এর ইঞ্জিনিয়ারের মন্তব্ব্যে আবার জিদে আগুণ লাগে চ্যালেঞ্জের দ্বিতীয় ধাপ অতিক্রম করার। রানার মোটরসের সাফল্যের ৭ বৎসর পর ডিরেক্টর মার্কেটিং এন্ড সেলস-এর পদ থেকে অবসর নিয়ে আকিজ ফুড এন্ড বেভারেজ-এর এক্সেকিউটিভ ডিরেক্টর, মার্কেটিং এন্ড সেলস হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ছিল আমার পেশা জীবনের তৃতীয় চ্যালেঞ্জ। মানবিক বিষয়ে পড়ে তিন ধরণের ইন্ডাষ্ট্রিতে টেকনিক্যাল বিষয়ের বুৎপত্তি অর্জন ও উন্নতির শীর্ষে ওঠা আমার নিজেরই গল্পের প্রতিচ্ছবি যেন এ বইতে। ভিন্ন বিষয়ের ছাত্র হয়েও সততা,নিরলস পরিশ্রম, বই পড়ে ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে লক্ষ্যের দিকে একাগ্রতার সাথে পথ চলে এক্সেকিউটিভ থেকে এক্সেকিউটিভ ডিরেক্টর হওয়া ছিল জীবনের সবচেয়ে বড়ো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা। ৩৩ বৎসরের কর্মজীবনে একটা বিষয়ই শিখেছি যে, ইঞ্জনিয়ারিং ডাক্তারী সহ বিশেষ কিছু Highly Technical বিষয় ছাড়া যে কোনো বিষয়ে পড়াশুনা করে দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি থাকলে যে কোনো ইন্ডাষ্ট্রিতেই উন্নতির শীর্ষে উঠা অবশ্যই সম্ভব। Sharpener প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কর্মজীবন থেকে অবসর নিয়ে দেশের যুব সমাজকে পেশা জীবনের পথ দেখানোর কাজে Soft Skills Training, Personal Mentoring on "How to become a CEO", ও Fourth Industrial Revolution নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। Sharpener-এ প্রফেশনাল ট্রেনিংয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নীতি-নৈতিকতা-আদর্শে মানুষকে ব্যাক্তিগত জীবন ও ক্যারিয়ারের সমন্বয় করে কিভাবে সত্যিকারের সুখী জীবন যাপন করা যায় তার উপর নিবিড় ভাবে নিয়মিত ট্রেনিং দিয়ে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় Executive to Executive Director বইটি লেখা। এর মধ্যে প্রতিফলিত আমার পেশা জীবনের শীর্ষে ওঠার শ্বাশত সূত্র যা চিরকাল মানুষকে পথ দেখায়ে যাবে। বাবা শরীফ আব্দুর রাজ্জাক ব্রিটিশের অধীনে চাকুরী করতেন কলকাতায়। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর তিনি নিজ বাড়িতে চলে আসেন এবং হাই স্কুল প্রতিষ্ঠা করে এবং আলীয়া মাদ্রাসা নিয়ে জীবন অতিবাহিত করেন। মা, রিজিয়া বেগম গৃহিনী। জন্ম মাগুরায়। পড়ালেখা ইংরেজি সাহিত্য ও ইসলামিক রিসার্চ এন্ড কম্পারেটিভ রিলিজিওন। ছেলে রাতুল ও মেয়ে মৌ দুইজনই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। স্ত্রী রিনা চাকরি না করে নিবিড় পরিচর্যায় সংসারটাকে পৃথিবীর স্বর্গে পরিণত করেছেন। দুইজন আদর্শ নাগরিকের গর্বিত জননী এবং এই তিন জনের টিমের সফল ম্যানেজার।
25%
25%
20%
20%
20%
25%
25%
25%
25%
25%
20%
25%
Please login for review